২০২০ সাল থেকে hi7 বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে নিরাপদ, সহজ ও আনন্দময় অনলাইন গেমিং পৌঁছে দিয়ে আসছে। আমাদের পথচলা, আমাদের মূল্যবোধ ও আমাদের প্রতিশ্রুতি — এখানে সব জানুন।
hi7 বাংলাদেশের মানুষের জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগ। আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি ব্যবহারকারী বিশ্বমানের গেমিং অভিজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য — তা সে ঢাকার ব্যস্ত শহরে থাকুক বা রাঙামাটির পাহাড়ে। এই বিশ্বাস থেকেই ২০২০ সালে hi7-এর জন্ম।
শুরুতে আমাদের ছিল মাত্র কয়েক হাজার সদস্য। আজ সারাদেশের ৬৪ জেলায় পাঁচ লাখেরও বেশি মানুষ hi7-কে তাদের প্রিয় গেমিং গন্তব্য হিসেবে বেছে নিয়েছেন। এই ভালোবাসাই আমাদের প্রতিদিন আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা দেয়।
বাংলাদেশের বাস্তবতা বুঝে আমরা কাজ করি। এখানে বেশিরভাগ মানুষ মোবাইলে ইন্টারনেট ব্যবহার করেন, বিকাশ-নগদে লেনদেন করেন, বাংলায় কথা বলতে স্বচ্ছন্দ বোধ করেন। hi7 এই তিনটি বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়।
"প্রযুক্তিকে সহজ করে মানুষের কাছে নিয়ে যাওয়াই hi7-এর মূল লক্ষ্য।"
বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য বিশেষভাবে ডিজাইন করা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে hi7-এর যাত্রা শুরু। প্রথম মাসেই ১০,০০০ নিবন্ধন।
Android ও iOS অ্যাপ লঞ্চ। বিকাশ, নগদ ও রকেট সরাসরি প্ল্যাটফর্মে যুক্ত। সদস্য সংখ্যা ১ লাখ ছাড়ায়।
Evolution Gaming-এর সাথে অংশীদারিত্ব। ২০০+ লাইভ টেবিল ও ক্রিকেট বেটিং বিভাগ চালু। সদস্য ৩ লাখ ছাড়ায়।
৫-স্তরের VIP লয়্যালটি প্রোগ্রাম চালু। AI-ভিত্তিক নিরাপত্তা সিস্টেম স্থাপন। পুরস্কার বিতরণ ৳১ কোটি ছাড়ায়।
বাংলাদেশের ৬৪ জেলায় সক্রিয় উপস্থিতি। ৳৫ কোটি+ পুরস্কার বিতরণ। বাংলাদেশের নম্বর-১ গেমিং প্ল্যাটফর্ম।
ছয়টি মূল বৈশিষ্ট্য যা hi7-কে অন্যদের থেকে আলাদা করে
hi7-এর পুরো প্ল্যাটফর্ম বাংলায়। মেনু, গেমের নির্দেশনা, পেমেন্ট বিবরণ, সাপোর্ট চ্যাট — সব কিছু বাংলায়। ইংরেজি না জানলেও কোনো সমস্যা নেই।
বাংলাদেশের সব প্রধান মোবাইল ব্যাংকিং সরাসরি যুক্ত। ডিপোজিট মাত্র ৳১০০ থেকে শুরু, উইথড্র ১৫ মিনিটে। ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ছাড়াও চলে।
৩জি নেটওয়ার্কেও দ্রুত লোড। Android ও iOS অ্যাপ সম্পূর্ণ বিনামূল্যে। ছোট স্ক্রিনেও পরিষ্কার ইন্টারফেস — যেকোনো ফোনে চমৎকার অভিজ্ঞতা।
২৫৬-বিট SSL এনক্রিপশন, দুই-স্তর যাচাইকরণ ও AI জালিয়াতি সনাক্তকরণ। আপনার অর্থ ও তথ্য সর্বদা সুরক্ষিত। আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা অডিট পাস।
বাংলায় লাইভ চ্যাট সাপোর্ট সারাদিন সারারাত। আমাদের সাপোর্ট টিম সমস্যার দ্রুত সমাধান দেয়। গড় সাড়া দেওয়ার সময় ৩ মিনিটেরও কম।
প্রতিটি বেটে লয়্যালটি পয়েন্ট, সাপ্তাহিক ক্যাশব্যাক, মাসিক টুর্নামেন্ট এবং Diamond পর্যন্ত ৫ স্তরের VIP সুবিধা। বিজয়ীরা সত্যিই পুরস্কার পান।
hi7-এর লক্ষ্য একটাই — বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষের কাছে নিরাপদ, সহজ ও আনন্দময় অনলাইন গেমিং পৌঁছে দেওয়া। শহর বা গ্রাম, ধনী বা মধ্যবিত্ত — গেমিং অভিজ্ঞতায় কোনো বৈষম্য থাকবে না।
আমরা বিশ্বাস করি দায়িত্বশীল গেমিং একটি বিনোদনমাধ্যম হতে পারে। তাই hi7-এ সব সময় দায়িত্বশীল গেমিং সরঞ্জাম সক্রিয় থাকে — ব্যয়সীমা নির্ধারণ, বিরতির সুযোগ এবং সচেতনতার বার্তা।
প্রযুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার স্বপ্ন hi7-এর। আমরা শুধু গেম প্রদানকারী নই — আমরা একটি সম্প্রদায়, একটি পরিবার।
hi7 প্রতিটি লেনদেনে, প্রতিটি গেমের ফলাফলে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা বজায় রাখে। RNG সার্টিফাইড গেম, তৃতীয় পক্ষের অডিট — কিছুই লুকানো নেই।
প্রতিটি নতুন ফিচার, প্রতিটি আপডেট ব্যবহারকারীদের মতামতের ভিত্তিতে তৈরি। hi7 ব্যবহারকারীরাই আমাদের পথ দেখায়।
hi7 থেমে নেই। প্রতি মাসে নতুন গেম, নতুন ফিচার ও আরও ভালো অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে। উন্নতির কোনো শেষ নেই — এটাই আমাদের প্রতিশ্রুতি।
hi7 সব সময় দায়িত্বশীল গেমিংকে উৎসাহিত করে। ১৮ বছরের কম বয়সীদের প্রবেশাধিকার নেই। গেমিং-আসক্তি প্রতিরোধে আমরা সক্রিয়ভাবে কাজ করি।
২০২০ সালে যখন hi7-এর যাত্রা শুরু হয়েছিল, তখন বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং একটি নতুন ধারণা ছিল। বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি — ইংরেজিতে, বিদেশি পেমেন্টে, বিদেশি সময়জ্ঞানে পরিচালিত। বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের জন্য সেগুলো ছিল অচেনা ও অস্বস্তিকর।
hi7 এই শূন্যস্থান পূরণ করতে এসেছিল। প্রথম থেকেই আমাদের লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট — বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলায়, বাংলাদেশি পেমেন্টে, বাংলাদেশি সময়ে একটি গেমিং প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা। সেই লক্ষ্য আজও অটুট।
শুরুর দিনগুলো সহজ ছিল না। প্রযুক্তি, নিরাপত্তা, পেমেন্ট সিস্টেম — সব কিছু বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে নতুনভাবে ভাবতে হয়েছে। বিকাশের API সংযুক্ত করা, বাংলা ফন্ট অপটিমাইজ করা, ধীর নেটওয়ার্কে গেম চালানোর উপায় বের করা — এই চ্যালেঞ্জগুলো পেরিয়ে hi7 আজকের অবস্থানে এসেছে।
আমাদের সবচেয়ে বড় শিক্ষা হলো — ব্যবহারকারীদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা। ২০২১ সালে একজন ব্যবহারকারী অভিযোগ করেছিলেন যে উইথড্র প্রক্রিয়া খুব জটিল। সেই মতামতের ভিত্তিতে পুরো উইথড্র সিস্টেম নতুনভাবে ডিজাইন করা হয়। আজ hi7-এ গড় উইথড্র সময় মাত্র ১৫ মিনিট।
hi7-এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে আছে লাখো ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা। নতুন কোনো ফিচার আনার আগে আমরা পরীক্ষা করি, ফিডব্যাক নিই, ঠিক করি। এই পদ্ধতিটাই hi7-কে বাংলাদেশের সেরা গেমিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আমাদের দল ছোট কিন্তু নিবেদিত। প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ, গেমিং বিশ্লেষক, গ্রাহক সেবা প্রতিনিধি এবং নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ মিলে একটি সমন্বিত দল প্রতিদিন কাজ করে যাচ্ছে। রাতে ঘুমানোর আগেও কেউ না কেউ ব্যবহারকারীদের সমস্যার সমাধান করছেন।
ভবিষ্যতে hi7 আরও অনেক নতুন সুবিধা নিয়ে আসবে। আমরা ক্রিপ্টো পেমেন্ট, আরও বেশি স্থানীয় টুর্নামেন্ট এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন উৎসব ঘিরে বিশেষ আয়োজন করার পরিকল্পনা করছি। hi7 শুধু আজকের জন্য নয়, আগামীর জন্যও তৈরি হচ্ছে।
সবশেষে, hi7-এর সাফল্যের পেছনে আছেন আপনারা — আমাদের প্রিয় ব্যবহারকারীরা। আপনাদের বিশ্বাস, আপনাদের ভালোবাসা এবং আপনাদের সৎ মতামত আমাদের চালিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়। hi7 পরিবারের অংশ হওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
যারা প্রতিদিন hi7-কে আরও ভালো করে তুলছেন
১০+ বছরের গেমিং ইন্ডাস্ট্রি অভিজ্ঞতা সম্পন্ন। hi7-এর মূল দর্শন তাঁর হাতে গড়া।
hi7-এর মোবাইল-ফার্স্ট ইন্টারফেস ও নিরাপত্তা কাঠামোর নির্মাতা।
৫০+ সদস্যের সাপোর্ট টিম পরিচালনা করেন। বাংলায় ২৪/৭ সেবার প্রতিশ্রুতি তাঁর।
hi7-এর ৫,০০০+ গেম কিউরেশন ও নতুন গেম সংযোজনের দায়িত্বে।
আমাদের সম্পর্কে যা জানতে চান
৫ লাখেরও বেশি বাংলাদেশির পছন্দের প্ল্যাটফর্মে আপনার স্থান নিন। নিবন্ধন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং স্বাগত বোনাস ১৫০% পর্যন্ত।